সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, বরিশাল জেলায় ৫৪১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রসহ জেলার সব স্কুল কলেজের ভবনগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও ৯৩ মেট্রিক টন চাল, নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও শুকনো খাবার মজুত রাখা রয়েছে। পাশাপাশি জেলার ১০ উপজেলায় নদীবেষ্টিত বা উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বেশি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলোর ছুটি বাতিলের পাশাপাশি প্রত্যেককে মোবাইলে যোগাযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া প্রাণিসম্পদ রক্ষায় গুরুত্ব আরোপ করে সিপিপি, রেড ক্রিসেন্টসহ সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
.png)
সভায় সিভিল সার্জন ডা. মারিয়া হাসান বলেন, দুর্যোগকালীন বা দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মোট ৯৮টি মেডিকেল টিম মাঠে কাজ করবে।
এ সময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসানসহ ফায়ার সার্ভিস, সিপিপি, আনসার, ত্রাণ ও পুর্নবাসন ও এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।