চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায়। তাই প্রতিকূল পরিবেশে সব দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। সেই লক্ষে শনিবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পৌর মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যানগন, সিপিপি উপ-পরিচালক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সহ পল্লীবিদ্যুৎ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় দুর্যোগকালীন সময় ১৫৫টি আশ্রয় কেন্দ্র ২০টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত করণের পাশাপাশি শিশু খাদ্য ও শুকনো খাবার মজুত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া দুর্যোগে প্রচার ও মানুষকে সচেতন করতে ৩১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
অপরদিকে, জেলেসহ সমুদ্র তীরবর্তী মানুষকে অবহিত করতে মৎস্যজীবী ও নৌযান সমূহকে ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে নিজামপুর কোস্টগার্ড। এদিন সকালে মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরে প্রচারাভিযান চালায় নিজামপুর কোস্টগার্ডের সদস্যরা।
.png)
নিজামপুর কোস্টগার্ড কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আবু রাশেদ সুমন জানান, আমরা সকাল থেকেই জনসচেনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছি। এছাড়া সকাল থেকে সাগরে আমাদের টিম কাজ শুরু করেছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা সম্পূর্ণ করছি। এরমধ্যে কন্ট্রোল রুম চালু করাসহ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া মুজিব কিল্লা এবং সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুতের পাশাপাশি দুর্যোগকালীন সময়ে মজবুত ভবন ব্যবহারের জন্য আমরা সব কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।
কলাপাড়া উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গভীর নিম্নচাপটি সকালে পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থা করছিল। তাই এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে এমন শঙ্কায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।