জেলার বিভিন্ন ওয়েবপোর্টাল ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ দফতরের তথ্য নতুন করে হালনাগাদ করা হয়নি। ২৭টি দফতরের তথ্য পেলেও তাতে রয়েছে নানা অসঙ্গতি। আর বেশ কয়েকটি দফতরের হালনাগাদ হয়নি কয়েক বছর ধরে।
জেলার দফতরগুলোর পাশাপাশি এমন শোচনীয় অবস্থা উপজলা দফতরের ওয়েব পোর্টালগুলোতে। সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতা ও সঠিক তথ্য না থাকায় এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
.png)
ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী গোলাম কিবরিয়া বলেন, অনেক সময় কোনো দফতরের কারো নম্বর প্রয়োজন হলে আমরা অনলাইন থেকে নিই। অথচ সে তথ্যটা সঠিক না হলে আমাদের বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়। আবার অনেক সময় পোর্টাল থাকলেও কারো তথ্য দেওয়া হয় না। এতে আমাদের অসুবিধা হয়। এ সমস্যা সমাধান করা উচিত।
ঠাকুরগাঁও জার্নালিস্ট ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রবিউল এহসান বলেন, একটি দফতরের প্রধানের বদলি হয়ে তিনি সিলেটে গেছেন ৫ বছর আগে। অথচ উনার তথ্য এখনো রয়েছে। এতে আমরা সে তথ্য অনুযায়ী যোগাযোগ করলে বিব্রত হতে হয়। অনেক পোর্টালে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই। সবচেয়ে হতাশাজনক হলো বেশ কয়েকটি পোর্টালে কর্মকর্তাদের কোনো তথ্যই দেওয়া নেই। এগুলোতে উদাসীন না হয়ে বরং দ্রুত সমাধান করা উচিত৷
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মাহবুবর রহমান বলেন, সহজে তথ্য পেতে এ সুবিধা করেছে সরকার। খুব দ্রুত জেলার দফতরের তথ্যগুলো হালনাগাদ করা হবে।