এবার গণিত ও ইংরেজির দুই পত্রে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন বেশি। পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হবে ১২ জুন।
বুধবার (২২ মে) বোর্ডের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
.png)
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, বোর্ডের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৭৬ হাজার ৪২টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে শিক্ষার্থীরা। পুনঃনিরীক্ষণের জন্য যারা আবেদন করেছে, তাদের উত্তরপত্রে নম্বর যোগ বা উঠানোর ক্ষেত্রে কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন করে পুনরায় ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বাংলা বিষয়ে আবেদন জমা পড়েছে চার হাজার ৫০০টি, ইংরেজি বিষয়ে সাত হাজার ৪২৮টি, গণিতে আট হাজার ৫১৯টি, ইসলাম শিক্ষায় তিন হাজার ৭৪৩টি, উচ্চতর গণিতে চার হাজার ৪১৮টি, সাধারণ বিজ্ঞানে চার হাজার ৬০০টি, পদার্থ বিজ্ঞানে চার হাজার ৫৭৩টি, রসায়নে চার হাজার ৯৫৮টি, জীববিজ্ঞানে তিন হাজার ৯২০টি, ব্যবসায় উদ্যোগে দুই হাজার ৭৪টি, হিসাববিজ্ঞানে দুই হাজার ৩১৮টি, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে পাঁচ হাজার ৮০৫টি, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে এক হাজার ৩১২টি, হিন্দুধর্ম বিষয়ে ৮৭৫টি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা বিষয়ে ৭৩৭টি, কৃষি শিক্ষায় এক হাজার ৫১৭টি, পৌরনীতিতে ৮৩৬টি, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৬২৮টি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে এক হাজার ২০৫টি পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছে শিক্ষার্থীরা।
গত ১২ মে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। যা গতবছর ছিল ৭৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। সে হিসেবে এ বছর চার দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়েছে পাসের হার।
এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ৮২৩ জন শিক্ষার্থী। গত বছর যে সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৪৫০। অর্থাৎ, পাসের হার বাড়লেও চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা।
মোট পাসের মধ্যে ছাত্র পাসের হার ৮২ দশমিক ২৯ শতাংশ ও ছাত্রী পাসের হার ৮৩ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঁচ হাজার ৭৩ জন ছাত্র ও পাঁচ হাজার ৭৫০ জন ছাত্রী।
গতবছর ছাত্র পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও ছাত্রী পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ছিল পাঁচ হাজার চারজন। ছাত্রী ছয় হাজার ৪৪৬ জন।