জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদের আনারস প্রতীকের প্রার্থী ইউনুস গনি চৌধুরী ও ঘোড়া প্রতীকের সোহরাব হোসেন চৌধুরী ওরফে নোমানের সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ঘোড়া প্রতীকের পক্ষে বহিরাগত লোকজন আসেন বলে অভিযোগ উঠে। এ সময় তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে আনারস প্রতীকের অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।
২০ মিনিট ধরে চলা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির পর পিছু হটে বহিরাগতরা। আনারস প্রার্থীর পক্ষের অনুসারীদের অভিযোগ- ঘোড়া প্রতীকের পক্ষে প্রভাব বিস্তারের জন্য বহিরাগতদের নিয়ে আসা হয়। এ সময় আনারসের নির্বাচন সমন্বয়কারী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলী আজম ও ঘোড়ার পক্ষে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আবুল হাশেম কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত ছিলেন।
.png)
আনারসের নির্বাচন সমন্বয়কারী আলী আজম বলেন, আলমপুর থেকে পায়ে হেঁটে প্রায় ৫০-৬০ জন লোক আসেন। তারা কেন্দ্র দখলের উদ্দেশ্যে এখানে আসেন। তারা সবাই বহিরাগত। তাদের প্রতিহত করা হয়েছে।
ঘোড়া প্রতীকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আবুল হাশেম বলেন, বহিরাগতরা আনারসের লোক। ওই প্রতীকের নির্বাচন সমন্বয়কারী আলী আজম আসার পর কিছু বাইরের লোকজনকে দেখা যায়। এ সময় একটু উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
কেন্দ্রটির দায়িত্বে থাকা পুলিশের এসআই মো. শাখাওয়াত বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে ভোট বন্ধ হয়নি। খবর পেয়ে অতিরিক্ত ফোর্স ও বিজিবি আসে।
হাটহাজারীতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকে ইউনুস গনি চৌধুরী, মোটরসাইকেল প্রতীকে এসএম রাশেদুল আলম, ঘোড়া প্রতীকে মো. সোহরাব হোসেন চৌধুরী নোমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে অশোক কুমার নাথ (তালা), এমএ খালেদ চৌধুরী (বৈদ্যুতিক বাল্ব), মো. আশরাফ উদ্দিন (টিউবওয়েল), মো. নুরুল আবছার (চশমা) এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিবি ফাতেমা শিল্পী (প্রজাপতি), মোক্তার বেগম (কলস), মোছা. শারমীন আকতার (হাঁস), সাজেদা বেগম (ফুটবল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এ উপজেলায় মোট ভোটার তিন লাখ ৫৭ হাজার ৪৪৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা এক লাখ ৮৬ হাজার ৬৪৩ জন ও নারী এক লাখ ৭০ হাজার ৮০৫ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১০৬টি।