সোমবার রাত সাড়ে ৮ থেকে ১০টার মধ্যে নগরীর চৌকেদেখি ও দাঁড়িয়াপাড়া এলাকা পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
জুনিয়রিটি ও সিনিয়রিটি নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ ও মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাইম আহমদের গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
.png)
ছাত্রলীগের মধ্যে অপ্রীতিকর এ ঘটনা যখন ঘটেছে তখন জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কমিটি দাখিল করতে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।
ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, চৌকিদেখি এলাকায় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ গ্রুপের কয়েকজন কর্মী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ গ্রুপের কর্মী ইসফাক নূরের গাড়িতে হামলা করেন। ঐ সময় দু’পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ হয়। পরে তা নগরীর রিকাবিবাজার ও দাঁড়িয়াপাড়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। ঐ সময় এক কর্মী ছুরিকাহত হন বলে জানা গেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রাত ১০টার দিকে দু’পক্ষ ফের উত্তেজনা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় দাঁড়িয়াপাড়ায় রাহেল সিরাজের কর্মীরা নাইম গ্রুপের তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের আগেই তা ভস্মীভূত হয়ে পড়ে।
কোতোয়ালি থানার ওসি মইন উদ্দিন শিপন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে। কী কারণে ছাত্রলীগের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশওয়ার জাহান সৌরভ বলেন, জেলা ও মহানগরীর শীর্ষ নেতারা ঢাকায় অবস্থান করছেন। আমরা বিষয়টি জেনেছি, সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে কিছু ঝামেলা হয়েছে।