শনিবার (১৮ মে) দুপুরে ছাগলনাইয়া বাজারের আহমেদ শপিং সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কিশোরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (১৯ মে) তার পায়ুপথ থেকে ব্রাশ বের করেন চিকিৎসকরা।
ওই কিশোরের বড় ভাই আল আমিন বলেন, আমার ভাই বাজারের একটি দোকানে কাজ করে। শনিবার দুপুরে বাজারের পাশে একটি মসজিদে নামাজ পড়তে যায়। নামাজ শেষে ফেরার পথে অপরিচিত এক লোক তাকে ডেকে দোতলায় একটি বস্তা মাথায় তুলতে সহযোগিতা চায়। সরল মনে ভাই উপকার করতে আহমেদ শপিং সেন্টারের দোতলায় ওঠে। এ সময় পেছন থেকে আরো এক অপরিচিত ব্যক্তি উঠেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, ওই দুই ব্যক্তি আমার ভাইকে মারধর করে তিনতলায় নিয়ে যান। সেখানে একটি টয়লেটে নিয়ে তার দুই হাত-মুখ বেঁধে পায়ুপথে ব্রাশ ঢুকিয়ে দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এরপর তারা টয়লেটের দরজা বাইরে থেকে লাগিয়ে চলে যান।
প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টার পর বাঁধা হাতটি খুলতে পারে তানভীর। এদিকে দোকানের মালিক তার নম্বরে বারবার ফোন দিলেও হাত বাঁধা থাকায় ফোন ধরতে পারেনি। হাত খুলে দোকান মালিককে ফোন ধরে ঘটনা জানায়। পরে দোকানের মালিক টয়লেট থেকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রোববার (১৯ মে) তার পায়ুপথ থেকে ব্রাশ বের করেন চিকিৎসকরা।
তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের কোনো শত্রু নেই। হয়তো কোনো খারাপ কাজ করতে না পেরে তারা ভাইকে মেরে ফেলতে পায়ুপথে ব্রাশ ঢুকিয়ে দিয়েছেন।
ছাগলনাইয়া থানার ওসি হাসান ইমাম জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি। এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি কেউ। ছেলেটা নির্যাতনকারীদের চিনতে পারেনি। তারপরও তদন্ত করছে পুলিশ।