চাষিদের ভাষ্য, তবে জ্যৈষ্ঠের শেষভাগে অর্থাৎ আরো ২৫ দিন পর থেকে মিলবে পুষ্ট ও পরিপক্ব রসালো আম।
চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলেন, জেলা প্রশাসকের বেধে দেওয়া সময় অনুযায়ী আজ থেকে গুটি আম নামানো শুরু হয়েছে। দুপুরে রাজশাহীর শহরের হাটে আম নিয়ে যাব বিক্রির জন্য। তবে প্রথম দিন খুব বেশি আম পাড়াবো না; পালাক্রমে আম নামানো হবে।
.png)
আম চাষি নাইম হোসেন বলেন, আম এখনো ভালোভাবে পুষ্ট হয়নি। একটা গাছে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু আম নামালাম৷ পর্যায়ক্রমে এখন থেকে নামাবো।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, ১৫ মে গুটি জাত দিয়ে শুরু হয়েছে আম নামানো। ২৫ থেকে ৩০ মে ধাপে ধাপে নামানো যাবে গোপালভোগ, লক্ষণভোগ, রানীপছন্দ ও খিরসাপাত। ১০ ও ১৫ জুনে নামবে ল্যাংড়া, আম্রপালি, ফজলি আম। জুলাইয়ে বাজারে আসবে আশ্বিনা ও বারি।
এর আগে, গত রোববার (১২ মে) রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাগান মালিকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আম নামানোর সময়সীমা নির্ধারণ করেন জেলা প্রশাসক মো. শামীম আহমেদ। এ সময় কৃষি কর্মকর্তা, আমচাষি, ব্যবসায়ী ও আম পরিবহনে নিয়োজিত সবার সঙ্গে আলোচনা করে নিরাপদ, বিষমুক্ত ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করা হয়।
ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আজ ১৫ মে থেকে গুটি আম পাড়া যাবে, ২৫ মে থেকে গোপালভোগ ও রানিপছন্দ, ৩০ মে থেকে খিরসাপাত, ২৫ মে থেকে লক্ষণভোগ, ১০ জুন থেকে ল্যাংড়া ও ব্যানানা আম, ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি, ০৫ জুলাই থেকে বারি আম ৪, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা, ১৫ জুলাই থেকে গৌড়মতি আর ২০ আগস্ট থেকে পরিপক্ক ইলামতি আম নামানো যাবে। এছাড়া কাটিমন ও বারিআম-১১ সারা বছর সংগ্রহ করা যাবে।
গত বছর রাজশাহীতে ১৯ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৬০ হাজার ৬ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ১৯ হাজার ৬০২ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৬০ হাজার ৩১৫ মেট্রিক টন। তবে উৎপাদন ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের।