মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকেলে ফরিদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন। রায় প্রদানের সময় আসামি হেলাল ও জেসমিন পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, হেলাল শেখ ২০০৪ সালে জোৎস্না বেগম নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে আজিজুল নামে এক প্রতিবন্ধী ছেলের জন্ম হয়। ২০১৩ সালের শুরুর দিকে হেলাল শেখ জেসমিন নামে আরেক নারীকে বিয়ে করেন।
.png)
দ্বিতীয় বিয়ের পর হেলাল ও জেসমিন মিলে জ্যেৎস্নারর সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ নির্যাতন শুরু করেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে জ্যোৎস্না বেগম ইউএনওসহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দেন। এ নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়। ঐ সালিশে জ্যেৎস্নার প্রতিবন্ধী ছেলে আজিজুল মাকে নির্যাতনের কথা প্রকাশ করে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৩ সালের ২৬ জুলাই কীটনাশক খাইয়ে আজিজুলকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২৭ জুলাই জ্যোৎস্না বেগম বাদী হয়ে তার স্বামী হেলাল ও সতিন জেসমিনসহ চারজনের নামোল্লেখ করে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আদালতের পিপি নাওয়াব আলী মৃধা বলেন, সন্তান হত্যার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। এ রায় পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে সুস্থতা আনতে সহায়তা করবে।