সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বকুল বিশ্বাস হাতিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আফতাব বিশ্বাসের ছেলে।
এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে বকুল বিশ্বাসের চাচি মারা যান। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। চাচির কুলখানি অন্য চাচাতো ভাইয়েরা বড় করে আয়োজন করে সমাজের লোকজনকে খাওয়ানোর দাবি তোলেন। এতে বকুল বিশ্বাস ও তার পরিবারের লোকজন রাজি হননি। গত শনিবার বকুল বিশ্বাস তাদের সমাজের লোকজন নিয়ে চাচির কুলখানির কাজ শেষ করেন। এরই জের ধরে রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
.png)
হামলায় আহত ঝাউদিয়া ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাহিন আক্তার বলেন, রাত ৯টার পর আমরা স্থানীয় চায়ের দোকানে বসেছিলাম। এ সময় বকুলের চাচাতো ভাই শিপন বিশ্বাস ও তার ২০-২৫ সহযোগী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। হামলায় বকুলসহ আটজন গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ৪ জনকে ভর্তি করা হয়। এ সময় চিকিৎসক বকুল বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার বলেন, রাতে চারজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে বকুল নামে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বাকিদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শিপন বিশ্বাস পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি (তদন্ত) মেহেদি হাসান বলেন, দাওয়াত খাওয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক দলাদলি নিয়ে হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।