পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে দশানী এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচয়দানকারী শফিকুল ইসলাম ও শাহনেওয়াজ খানমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, দুদিন ধরে পরকীয়া প্রেমিক বহুরবুনিয়া ইউপির তথ্যসেবা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা উদ্যোক্তা প্রেমিক মো. শফিকুল ইসলামের সঙ্গে একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন ঐ শিক্ষিকা। বিষয়টি সন্দেহ হলে তাদের একটি কক্ষে ‘অন্তরঙ্গ’ অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। পরে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলেও কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় পুলিশে সোপর্দ করেন তারা।
.png)
স্কুল শিক্ষিকা শাহনেওয়াজ খানমের স্বামী মো. কুদ্দুস বয়াতী জানান, পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ায় পারিবারিকভাবে স্ত্রী সঙ্গে তার কলহ চলছে। সকালে বাগেরহাট কাড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তার স্ত্রী ও ওই যুবককে ধরে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি মামলা করবেন জানান তিনি।
শফিকুল ইসলামের স্ত্রী রিলিয়া খানম জানান, ২৮ বছর আগে শফিকুলের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে, মেয়েকে বিবাহও দিয়েছেন। একমাস ধরে তার স্বামী ওই শিক্ষিকার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। দুদিন ধরে বাড়িতে না এসে বাগেরহাটে অবস্থান করছিলেন তার স্বামী। সকালে স্থানীয়রা তার স্বামী ও ওই শিক্ষিকাকে ধরে তাকে খবর দেন। তারা দুজনই বাগেরহাট সদর থানায় আটক রয়েছেন। এ বিষয় তিনি একটি অভিযোগ করবেন বলে জানান।
বাগেরহাট সদর থানার ওসি সাইদুর রহমান বলেন, সন্দেহভাজন মোরেলগঞ্জের শফিকুল ইসলাম ও শাহনেওয়াজ খানমকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা। তারা উভয় স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়েছেন। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।