ঘটনাস্থলে থাকা নৌবাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, উদ্ধার তৎপরতায় সংস্থাটির উদ্ধার যান বলবানসহ বেশ কয়েকটি নৌযান কাজ করছে। কিন্তু নদীতে জোয়ার থাকায় কাজ চালিয়ে যেতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে। জোয়ারের কারণে বিধ্বস্ত বিমানটি একস্থান থেকে অন্যস্থানে সরে যাচ্ছে।
তারা জানান, বিমানটির অবস্থান শনাক্ত করতে সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বর্তমানে বিমানটি পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের ঠিক বিপরীতে আনোয়ারা প্রান্তে রয়েছে।
.png)
বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর তাতে আগুন ধরে যায়। এ সময় পাইলটরা বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে সক্ষম না হওয়ায় পরে দুই পাইলট প্যারাস্যুটের মাধ্যমে অবতরণ করেন। এ সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে বোট ক্লাবের পাশে নদীতে পড়ে। এতে বিমানের এক পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার অসীম জাওয়াদ গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আহত অপরজন উইং কমান্ডার সোহানের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা বলেন, বিমানবাহিনীর বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানের পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার ও কো-পাইলট উইং কমান্ডার প্যারাসুট দিয়ে নেমে এলে তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বানৌজা ঈসা খাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অসীম জাওয়াদ নামে একজনের মৃত্যু হয়।