জানা যায়, নিজেদের জমির ধান কেটে তা মাথায় করে বাড়ি ফিরছিলেন অমৃত। এ সময় বজ্রপাতে আহত হন অমৃত। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই রাতে মারা যান তিনি।
এদিকে, কাশিয়ানী উপজেলার হাতিয়াড়া ইউনিয়নের পাথরগ্রামের মিহির ঠিকাদারের বাড়িতে খুলনার বৈঠিয়াঘাটা এলাকা থেকে ধান কাটতে আসা শ্রমিক সুকান্ত বজ্রপাতে নিহত হন। এ ছাড়াও চর গোপালপুরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে আলমগীর শেখ।
.png)
গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান জানান, বিকেল সাড়ে ৫টায় থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি রাত ৯টা পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে ৫০.২ মিলিমিটার। আগামী ১২মে পর্যন্ত মাঝে মাঝে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা আরো কমবে।