রোববার রাতে সুন্দরবনের প্রধান বন সংরক্ষক আমির হুসাইন চৌধুরী জানান, মাটির ওপর অংশে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখন নিচে কোথাও আগুনের অস্তিত্ব আছে কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ একর জায়গায় ‘ফায়ার লাইন’ (আগুন নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখতে চারদিকে নির্দিষ্ট গভীরতায় ভূমি খনন) দেওয়া হয়েছে।
.png)
আগুন নিয়ন্ত্রণে ২০টি সংস্থা কাজ করেছে। সুন্দরবনের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করা হচ্ছে। আগুনে কারো সম্পৃক্ত আছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুনে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ ও ভবিষ্যতে আগুনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, আগুন লাগা বনের এই স্থানটিতে প্রাকৃতিকভাবে পরিবর্তন এসেছে। সে কারণে জীব বৈচিত্র্যের কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে, সেই বিষয় নির্ধারণ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কাজ করবে তদন্ত কমিটি। এ তদন্ত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ গবেষকরা থাকবেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আগামী কয়েক দিন এখানে অগ্নিনির্বাপণ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চলমান রাখা হবে বলেও জানান তিনি।