বুধবার রাতে উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ওই প্রতারক একই এলাকার মো. রশিদ মিস্ত্রীর ছেলে মাহাবুব আলম।
জানা গেছে, গত ২০ মার্চ ভোলায় পুলিশ কন্সটেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারক মাহাবুবসহ একটি চক্র বোরহানউদ্দিনের বড়মানিকা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাইফ উল্যাহ-ফাইজা আক্তার দম্পতির ছেলেকে চাকরি দেওয়ার জন্য ১৭ লাখ টাকা চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী দুই কিস্তিতে বারো লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্রের দুই সদস্য মো. মামুন ও মাহাবুব। টাকা নেয়ার পরেও ছেলের চাকরি না হওয়ায় বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা দায়ের করেন ফাইজা আক্তার। ওই মামলায় মাহাবুবকে গ্রেফতার করা হলেও মূল হোতা মামুন পলাতক রয়েছে।
.png)
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. শাহিন ফকির বলেন, পুলিশে চাকরি পেতে অনলাইনে আবেদনের খরচ মাত্র ১৬৪ টাকা। এর বাইরে কোনো খরচ নেই। তবে গ্রেফতারকৃত মাহাবুবসহ একটি প্রতারক চক্র পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এক ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।