বুধবার বিকেল থেকে মেঘাচ্ছন্ন ছিল আকাশ। রাতে কয়েক ফোঁটা ঝরে বৃষ্টি। পরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখে মেলে কয়েক দফা বৃষ্টির। সঙ্গে ছিল বজ্রপাতও। বহুল প্রতীক্ষিত বৃষ্টির দেখা পেতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইতে শুরু করে আনন্দের বন্যা। বলা চলে- ভারী বৃষ্টি না হলেও অল্প বৃষ্টিতে স্বস্তি পেয়েছে মানুষ।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল বারেক বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এক মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে এরপর থেকে মোটামুটি বৃষ্টি হচ্ছে। প্রতি তিন ঘণ্টা পরপর আমরা বৃষ্টির পরিমাপ নিয়ে থাকি।
.png)
তিনি বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ের প্রভাবে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। শুক্রবারও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ অবস্থায় নদী বন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে।