মঙ্গলবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের বাজার মনিটরিংয়ে শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ডিজি বলেন, এই মূহূর্তে আলুর কেজি হওয়া উচিত ছিলো ৩০-৩৫ টাকা, কিন্তু তা ৩৫ থেকে ৫০ টাকা। এটি ভালো লক্ষণ নয়। আমাদের আবার আলু আসবে আগামী মৌসুমে। এখন আমরা আলুর মজুদের তথ্য নিচ্ছি। মজুদ ও চাহিদার অসামঞ্জস্য থাকে, চাহিদার তুলনায় যদি মনে হয় মজুদ কম আছে, তবে আমরা আলু আমদানি আগে থেকেই খুলে দেবো। আমাদের পাশের দেশ থেকে আমদানি খুলে দিতে হবে। তার আগে আমরা আলু মজুদের হিসেবটি দেখছি।
.png)
তিনি আরো বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা আমরা বাস্তবায়ন করবো। কৃষি বিপণন অধিদফতর মূল্য ঠিক করে দেবেন, তারা যদি মূল্য ঠিক করে দেয় তা বাস্তাবায়নে আমরা মাঠে কাজ করবো।
এদিকে বাজার অভিযানে কালে ভোজ্যতেল ও মাংসের দোকান ঘুরে দেখেন ডিজি। এ সময় খোলা ড্রামে করে সয়াবিন তেল বলে বিক্রি না করা হয় ও মুনাফা লাভের জন্য পাম্প তেলকে সয়াবিন তেল বলে বিক্রি না করার জন্য ব্যবসায়ীদের সচেতন করেন মহাপরিচালক বলেন।
তিনি জানান, ভোজ্যতেলের বিষয়ে যে আইন রয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। রোজার পরে বর্তমানে বিভিন্ন নিত্য পণ্যের দাম স্থিতাবস্থায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অভিযানে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর রিপন, পুলিশ সুপার মো. আসলাম খান, ভোক্তা অধিকার মুন্সীগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।