এতে জেলার নুরুন আলা নুর কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক ও আলেম মাওলানা আব্দুল হান্নান সালাতুল ইসতিসকার আদায়ে ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। নামাজে অংশ নেয় চৌরাস্তা বাজার জামে মসজিদের ইমাম মোখলেসুর রহমান, সরকারি কলেজ জামে মসজিদের ইমাম জামাল উদ্দিন, মাসুদ রানা ও আলেম-উলামাসহ অত্র উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত মুসল্লি।
মুসল্লিরা বলেন, টানাভাবে চলছে তীব্র গরম ও দাবদাহ। বৃষ্টি নেই। গরম ও খরায় জনজীবন বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে পড়েছে। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হতে চলেছে। কোথাও স্বস্তি মিলছে না। তাপ প্রবাহের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো কষ্ট পাচ্ছে। আর আশঙ্কাজনকভাবে নেমে গেছে পানির স্তর নেমে যায় এখানকার কয়েক গ্রামের বাড়িগুলোর টিউবওয়েলগুলোতে পানি মিলছে না। তাই মহান আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি চেয়ে দু’রাকাত সালাতুল ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছি।
.png)
আলেমরা বলেন, দাবদাহ, অনাবৃষ্টির কারণে ওষ্ঠাগত প্রাণ। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে মহান আল্লাহর কাছে বৃষ্টি চেয়ে নামাজ আদায় ও মোনাজাত করা ছাড়া মুমিনদের কোনো উপায় নেই। দোয়ায় অনাবৃষ্টি ও গরম থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করা হয়। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে দু’রাকাত সালাতুল ইসতিসকার আদায় করেছি। যেন আল্লাহ আমাদের কৃতকর্মের পাপ ক্ষমা করে রহমতের বৃষ্টি দিয়ে প্রশান্তি দান করেন।