কারাগারে যাওয়া হাসান মুরাদ হাটহাজারী উপজেলার চিকনদন্ডী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের ধোপা দিঘীর পাড় আকমল মিয়াজি বাড়ির দিদারুল আলমের ছেলে এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু সায়েম মোহাম্মদ নাসিম উদ্দীন বলেন, হত্যার উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ীকে গুরুতর আঘাতের অভিযোগে হাটহাজারী থানায় হওয়া মামলায় হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন হাসান মুরাদ। হাইকোর্ট তাকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু তিন সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পরও আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় গত ২৪ ডিসেম্বর হাসান মুরাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
.png)
এরপর মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন হাসান মুরাদ। শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আহমেদ হোসেন সোহেল হাটহাজারী উপজেলার উত্তর ফতেয়াবাদ দক্ষিণ পাহাড়তলী নন্দীরহাট এলাকার হাজী মোহাম্মদ মুছার ছেলে। ওই এলাকায় ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। পূর্ব থেকে ব্যবসা নিয়ে হাসান মুরাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল তার।
এর জেরে গত ২৯ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়ী সোহেলকে নির্জন এলাকায় নিয়ে মারধর ও হত্যাচেষ্টা চালান হাসান মুরাদ এবং তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় হাসান মুরাদসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহেল। সেই আবেদন আমলে নিয়ে হাটহাজারী থানার ওসিকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ নভেম্বর হাটহাজারী থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। বর্তমানে মামলাটি চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।