উপজেলার ষোলটাকা ইউপির ভোলাডাঙ্গা, কেশবনগর, আমতৈল, মানিকদিয়া, মিনাপাড়া, কাষ্টদহ, চেংগাড়া, রাইপুর ইউনিয়নের হেমায়েতপুর, ইকুড়ি, চাঁদপুর, হাড়িয়াদহ, গোপালনগর, বাথানপাড়া, ধানখোলা ইউনিয়নের মহিষাখোলা, আড়পাড়া, কসবা, চাঁন্দামারি, শানঘাট, গাঁড়াডোব, গাংনী পৌর এলাকার পশ্চিম মালসাদহ, চৌগাছা, কাথুলী ইউনিয়নের ধলা, গাঁড়াবাড়িয়া, সহগলপুর, কাজীপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর, সাহেবনগর, বেতবাড়ীয়া, বামন্দী ইউনিয়নের তেরাইল, রামনগর, বালিয়াঘাটসহ উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বেশির ভাগ গ্রামের টিউবওয়েলে পানির অনেক শূন্যতা দেখা দিয়েছে। এসব গ্রামের অধিকাংশ টিউবওয়েল চাপ দিলে পানি উঠছে না।
উপজেলার রাইপুর ইউপির হাড়িয়াদহ গ্রামের কাউছার আলী বলেন, গত ২ সপ্তাহ ধরে আমার বাড়িতে স্থাপনকৃত টিউবওয়েলে পানি উঠছে না। টিউবওয়েলের নতুন সিটভল ও ওয়াসার লাগানোর পরও পানি উঠছে না।
.png)
একই গ্রামের বৃদ্ধ নুর বানু বলেন, আমাদের টিউবওয়েল পানি উঠছে। এছাড়াও ২০ ফুট দূরে আমার বড় ছেলের টিউবওয়েলে পানি উঠছে না।
ষোলটাকা ইউপির আমতৈল গ্রামের শামসুজ্জামান বলেন, আমার গ্রামের ৪০ ভাগ টিউবওয়েলে কম পানি উঠছে।
রাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সাকলায়েন ছেপু বলেন, যত দিন যাচ্ছে ততোই পানির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিটি বাড়িই টিউবওয়েল রয়েছে। ইদানীং বেশি সংখ্যক টিউবওয়েল পানি কম উঠছে। আশা করি এর উত্তরণে সরকার গুরুত্ব দেবে।
গাংনী উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খাওয়ার উপযোগী পানির স্তর প্রতি বছর ১০ থেকে ১১ ফুট নিচে নামছে। ১০ বছর আগেও এই এলাকায় ৬০ থেকে ৭০ ফুটের মধ্যে ভূ-গর্ভস্থ বিশুদ্ধ পানির স্তর পাওয়া যেত। কিন্তু এখন পানির জন্য যেতে হয় ৩০০ ফুটেরও বেশি গভীরে।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী প্রকৌশলী আ স ম মাহফুজুর রহমান কল্লোল জানান, ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু আগের মতো বৃষ্টি হয় না। ফলে ভূ-গর্ভের পানিই বেশি ব্যবহার হচ্ছে।