এ টাকাগুলো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রুপালি ব্যাংকে মসজিদের একাউন্টে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এখনো চলছে গণনার কাজ।
গণনা কাজ শেষ হলে সর্বমোট টাকা পরিমাণ পাওয়া যাবে। তবে গণনা শেষ না হলেও এখন পর্যন্ত পাওয়া ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে দানের টাকার পরিমাণ। এর আগে শনিবার সকাল ৭ টার দিকে মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলা হয়।
.png)
সাধারণত তিন মাস পর পর দানবাক্সগুলি খোলা হলেও এবার রমজানের কারণে ৪ মাস ১০ দিন পর খোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রতি তিন মাস পরপর এই মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। তবে রমজানের কারণে এবার ৪ মাস ১০ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে।
মসজিদে আগে আটটি দানবাক্স ছিলো, দানের টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় আরেকটি দানবাক্স বাড়ানো হয়েছিলো। এখন পাগলা মসজিদে দানবাক্সের সংখ্যা ৯টি।
টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন, মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রূপালি ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, সকাল ৭ টায় জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার রাসেল শেখ ও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দানবাক্স খুলে দানের টাকা এক এক করে ২৭টি বস্তায় ভরে আনা হয় গণনার জন্য। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে টাকা গণনার কাজ। তারপর জানা যাবে এবারের দানের মোট টাকার পরিমাণ।