ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

৪০০ টাকার টিকিট ১৪০০ টাকা, তবুও মিলছে না

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:২২, ১৮ এপ্রিল ২০২৪
৪০০ টাকার টিকিট ১৪০০ টাকা, তবুও মিলছে না
ছবি: সংগৃহীত

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের পূর্ব বাইপাস মোড়ে বাস কাউন্টারে ভাড়ার ৩ গুণ বেশি দিয়েও মিলছে না বাসের টিকিট। ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার টিকিট এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায় টিকিট বিক্রি হচ্ছে। 

গার্মেন্টস কর্মী মোছা. তানজিনা বেগমের স্বামী বলেন, ৪০০ টাকার টিকিট ১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবুও বুধ বা বৃহস্পতিবারের কোনো টিকেট নেই। বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।  

তারাপুর ইউপির চর খোর্দা গ্রামের বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়া বলেন, টিকিট দরকার পাঁচটি। পেয়েছেন একটি। সোনালী পরিবহন, মিথিলা পরিবহন, জান্নাত পরিবহন ও অর্পণ স্পেশালসহ সব কাউন্টারে খুঁজেছি। আজকের টিকিট কোথাও নেই। দুইদিন পরে নিতে হবে। ভাড়া রাতে এক হাজার ৩০০ টাকা আর দিনে এক হাজার ৪০০ টাকা। এর কমে কেউ টিকিট বিক্রি করছেন না।

গাইবান্ধা বাস টার্মিনালে আরেক যাত্রী মো. আয়নাল হোসেন বলেন, বেতন পেয়েছি দশ হাজার। যাতায়াত করতে প্রায় তিন হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। বাড়িতে পরিবার নিয়ে আনন্দ করতে এসেছিলাম। যাতায়াত করতেই টাকা প্রায় শেষ। বাস ভাড়ায় এরকম নৈরাজ্য থাকলে আগামী ঈদে বাড়িতে নাও আসতে পারি।

গার্মেন্টস কর্মী মনজিলা বেগম বলেন, টিকেট পেয়েছি। চৌদ্দশ টাকা নিয়েছে। বলেছিলাম এতো বেশি ক্যান। হ্যায় আমারে বলে নিলে নেন না নিলে নাই গা। জোরজুলুম করে বেশি টাকা নিচ্ছে। আমরা নিরুপায়।

মাইক্রোবাস ও কোচ শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি আশরাফুল আলম বাদশা বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। এটি চরম অন্যায়। খোঁজ নিচ্ছি। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কাউন্টারের আশপাশের ব্যবসায়ীরা জানান, এ নৈরাজ্য দীর্ঘদিনের। ঈদ বা পূজা এলেই বাস মালিকরা এক হয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করেন। দেখার কেউ থাকে না। সে কারণে যাত্রীরা বাধ্য হয়ে তিনগুণ বেশি দামে টিকিট কিনতে বাধ্য হন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: রাজশাহী
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!