শহরের দয়ালের মোড়ের মনোয়ার হোসেন বলেন, বাদ্যের তালে তালে খেলোয়ারা লাঠি খেলায় মেতে উঠেছে। প্রতিপক্ষ থেকে আত্মরক্ষায় অন্য জন চেষ্টা করছে। একসময় এসব খেলা গ্রামীণ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হতো। এখন আর তেমন দেখা যায় না। তবে নিয়মিত গ্রামীণ এসব খেলা হলে সুস্থ ধারা ও সংস্কৃতি রক্ষা করা সম্ভব।
তিনি আরো বলেন, আমরা সবাই এখন ভিডিও গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছি। গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো দেখলে অন্যরকম ভালো লাগে। বেড়াতে এসেছিলাম ঢোলের শব্দ শুনে এসে দেখি লাঠি খেলা হচ্ছে। খুব ভালো লাগছে অনেক পুরোনো লাঠিখেলা দেখে।
.png)
দরিয়াপুর গ্রামের প্রবীণ লাঠি খেলোয়ার সাহাজ আলী সরদার বলেন, আমার বয়স হয়েছে। কিন্তু তারপরও নিয়মিত লাঠিখেলা খেলি। আমার যারা ওস্তাদ ছিল সবাই মারা গেছেন। তাদের শেখানো লাঠিখেলা দেখিয়ে গ্রামের মানুষকে আনন্দ দিয়ে থাকি।
বাউল আখড়া বাড়ি সংগঠনের সভাপতি সারোয়ার হোসেন বলেন, লাঠিখেলা হলো গ্রামীণ ঐতিহ্য। এটি যেন বিলিন না হয়ে যায় এজন্য আমরা আয়োজন করেছি। যাতে মানুষেরা গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারে। আমরা গ্রামীণ সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে বাদ দিয়ে কিছু করতে পারি না। কারণ লাঠিখেলাও আমাদের ঐতিহ্য। আমরা প্রতিবছর লাঠিখেলা ধরে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।