গ্রেফতারকৃত নাজমুল হোসেন উপজেলা কুন্দগ্রাম ইউপির কুশাবাড়ি সোনারপাড়ার ফোরকান আলীর ছেলে। এর আগে, এ ঘটনায় জান্নাতি বেগমের ভাই তারতা গ্রামের ইসলাম শাহানা বাদী হয়ে ভগ্নিপতি কুশাবাড়ির নাজমুল হোসেন, তার ২য় স্ত্রী আরজিনা বেগম ও চাচা শফি উদ্দিনকে আসামি করে আদমদীঘি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বুধবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে স্বামী নাজমুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আদমদীঘি উপজেলার তারতা গ্রামের জান্নাতি বেগমের প্রায় ১৬ বছর আগে কুশাবাড়ি গ্রামের নামুল হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের জেহাদ হোসেন (১৩) ও জেমি খাতুন ৫ বছরের দুটি সন্তান রয়েছে। গত প্রায় ৮ মাস থেকে যৌতুকের জন্য মারধর ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন তার স্বামী। এ ব্যাপারে গ্রামে কয়েক দফায় সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
.png)
একপর্যায়ে গ্রেফতারকৃত নাজমুল হোসেন ১ম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই ঢাকার একটি মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে নাজমুল হোসেন তার ১ম স্ত্রী জান্নাতি বেগমকে অপর আসামিদের পরামর্শে দেড় লাখ টাকা যৌতুক দাবি ও তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে দেন।
গত ১০ এপ্রিল সকালে পুনরায় যৌতুক দাবি করলে স্বামীর সঙ্গে জান্নাতি বেগমের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অপর আসামিদের সহযোগিতায় স্বামী নাজমুল হোসেন স্ত্রী জান্নাতি বেগমেকে বেধড়ক মারধর করে আহত করেন। খবর পেয়ে স্বজনরা জান্নাতি বেগমকে উদ্ধার করে আদমদীঘি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রদীপ কুমার বর্মন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।