বুধবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। প্রেমিক রিংকু মিয়া উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পথহারা গ্রামের আতর আলীর ছেলে।
অনশনরত ওই তরুণী বলেন, বিয়ের আশ্বাসে বহুদিন ধরে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখলেও রিংকু মিয়া আমাকে বিয়ে না করে ফাঁকি দিয়ে এখন বিদেশ চলে যাওয়ার ফন্দি আঁটছে। বিষয়টি টের পেয়ে এ বাড়িতে এসে অনশনে বসেছি।
.png)
তিনি আরো বলেন, রিংকু এখন যদি আমাকে বিয়ে না করে তাহলে এ মুখ আমি কোথাও দেখাতে পারব না। যতদিন আমার প্রেমিক আমাকে বিয়ে না করবে ততদিন পর্যন্ত আমি অনশন ভাঙব না এবং এ বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবো না। প্রয়োজনে এ বাড়ি থেকে আমার লাশ যাবে তবুও আমি বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত এ বাড়ির আঙিনা ছাড়ব না। এ আমার প্রতিজ্ঞা।
প্রেমিক রিংকু মিয়ার বাবা আতর আলী বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে ওই তরুণীর কি সম্পর্ক রয়েছে তা আমার জানা নেই। ওই তরুণী বা তার পরিবারের কোনো লোকজন এ বিষয়ে আমাকে কোনোদিনই কিছু অবহিত করেনি। তাছাড়া ওই তরুণীর সঙ্গে আমার ছেলের কোনো সম্পর্ক থাকলে ওই তরুণীকে আমার বাড়িতে ঢুকতে দেখে আমার ছেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেল কেন?
কুশুরা ইউনিয়নের বৈন্যা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জাব্বার খান বলেন, এ ব্যাপারে কেউ আমার কাছে কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।