ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, সকাল ৭টার দিকে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তীব্র গতিতে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তেই ঝড়ের তীব্র গতিতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় বসতবাড়ি। বিধ্বস্ত হয় ঘরবাড়ি, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছপালা। নষ্ট হয়ে যায় উঠতি ফসলের জমি ও আমের মুকুল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন তারা।
ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ফুলবানু জানান, তার একমাত্র অবলম্বন ঘরটি হঠাৎ ঝরে বিধ্বস্ত হয়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। স্বামী হারা বিধবা ফুলবানু অসহায় হয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নিয়েছেন।
.png)
অপর ক্ষতিগ্রস্ত মোবারক হোসেন জানান, ধারদেনা করে একটি নতুন ঘর তুলে ছিলেন তিনি। কিন্তু ঝড়ে তীব্রতা কারণে সেই ঘরটিও মুহূর্তের ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। তিনি অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যান। অসহায় অবস্থায় তিনি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ইউএনও মোহাম্মদ সেলিম শেখ জানান, হঠাৎ ঝড়ে প্রায় ৩০টি বাড়িঘর, কিছু বৈদ্যুতিক খুঁটি ও একটি প্রাইমারি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। শিগগিরই তাদেরকে ত্রাণ সামগ্রীসহ সরকারিভাবে সহয়তা প্রদান করা হবে।