স্থানীয় ইউপি সদস্য এনামুল হক জানান,জোবায়ের ও নেজাম উদ্দিন উভয়ে বন্ধু। তবে কী কারণে এ ঘটনা তা জানাতে পারেননি।
এ সময় গুলিবিদ্ধ জোবাইরের শোর-চিৎকারে পার্শ্ববর্তী আত্মীয়স্বজন তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ যুবককে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
.png)
জানা যায়,গত ২দিন আগে নাজির পাড়ার নজুমুদ্দিনের সঙ্গে জোবায়েরের টাকার লেনদেন নিয়ে মোবাইল ফোনে কথা কাটাকাটি হয়। তবে তাদের দুই বন্ধুর মধ্যে কীসের লেন-দেন ছিল তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাখাওয়াত হোসেন মিঠু বলেন, সন্ধ্যার পর গুলিবিদ্ধ এক যুবককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার কপালের বাম পাশে গুলি লাগে। রিভলবার জাতীয় কিছু দিয়ে গুলি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। গুলিবিদ্ধ যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। রাতে কক্সবাজারে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জোবায়ের রাত সাড়ে ১১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি জানান, এ বিষয়ে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। তবে কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়টিও তদন্তে অধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।