শনিবার দুপুরে উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ।
এ সময় মাছ, মাংস, তরমুজ, মুরগি, ডিম ও মুদি দোকানসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করা হয়।
.png)
ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তা সজল আহমেদ জানান, নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে শনিবার আন্দুলবাড়িয়া বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মেসার্স মিম পোল্ট্রি হাউস নামক মুরগির একটি পাইকারি প্রতিষ্ঠান তদারকিকালে ভাউচার কারসাজি ও ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা, প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা ও ফ্রিজে অস্বাস্থ্যকরভাবে মাংস সংরক্ষণ করার প্রমাণ মেলে। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মাহমুদুর রহমানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি আরো জানান, বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ফ্রিজে অস্বাস্থ্যকরভাবে সংরক্ষিত প্রায় এক মণ মুরগির মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট করা হয়। পরবর্তীতে মাছের আড়ত, খুচরা বাজার ও তরমুজের প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়। পাশাপাশি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান সজল আহমেদ।
এ সময় জীবননগর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান এবং চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্সের একটি টিম অভিযান পরিচালনার কাজে সার্বিক সহযোগিতা করে।