নিহত মারুফ হোসেনের বাড়ি রাজশাহী এলাকায়। তিনি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জোরপুকুরিয়া গ্রামে শ্বশুর বাড়ি আসছিলেন।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন মারুফ হোসেনের স্ত্রী আনিকা খাতুন, মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে টুটুল হোসেন, মহাজনপুর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে নাহারুল ইসলাম ও সাবদার খার ছেলে মিরাজ হোসেন।
.png)
জানা যায়, গাংনী উপজেলার বামন্দী এলাকার নিশিপুর গ্রাম থেকে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে শ্বশুরবাড়ি ফিরছিলেন মারুফ হোসেন। মেহেরপুর-কুষ্টিয়ার সড়কের কিবরিয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পাথর বোঝাই ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে মারুফ ও তার স্ত্রী আনিকা গুরুতর আহত হন। এ সময় পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মারুফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করে।
অপরদিকে মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর ইট ভাটার কাছে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা লেগে টুটুল, রবি ও মিরাজ গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে, টুটুল ও মিরাজের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ও রবিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
মেহেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আহসান খান জানান, দুটি স্থানে সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।