বুধবার সকালে নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচ কে দেবনাথ। এ সময় তিনি জানান, মশক নিধনে মসিকের কার্যক্রমসমূহকে আরো জোরদার করা হয়েছে। এডিস মশার লার্ভা সনাক্তকরণ ও ধ্বংসে অভিযান শুরু হচ্ছে। কোনো নির্মাণাধীন ভবন বা প্রতিষ্ঠানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ভবন বা প্রতিষ্ঠানের মালিককে জরিমানার আওতায় নেয়া হবে।
তিনি আরো জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। বাসাবাড়ি, আঙিনা বা যেকোনো স্থানে তিন দিনের বেশি জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি হতে পারে। তাই সচেতনতার মাধ্যমে ডেঙ্গুকে প্রতিরোধ করতে হবে।
.png)
ক্রাশ প্রোগ্রাম উদ্বোধনকালে মসিকের খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জয়নাল আবেদিন, টিকাদান সুপারভাইজার মাসুম আহমেদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, ২০ মার্চ থেকে ওয়ার্ডভিত্তিক ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় ২৩ মার্চ পর্যন্ত ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে, ২৪ থেকে ২৭ মার্চ ১০ থেকে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে, ২৮ থেকে ৩১ মার্চ ১৯ থেকে ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে এবং ১ এপ্রিল থেকে ৪ এপ্রিল ২৮ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও এডাল্টিসাইড প্রয়োগ করা হবে। ক্রাশ প্রোগ্রাম চলাকালীন হটস্পটসমূহকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।