এর আগে, ‘হাসপাতাল নয় যেন গাঁজার বাগান’ শিরোনামে ‘ডেইলি বাংলাদেশে’ সংবাদ প্রচারের পর শুরু হয় তোলপাড়। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা সরেজমিনে বিষয়টি দেখতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। জেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে এমন বাগান দেখে স্থানীয়রাও চরম বিস্ময় প্রকাশ করেন।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামীম হোসেন বলেন, গাঁজার পাতার সঙ্গে সাদৃশ্য থাকলেও এগুলো আসলেই গাঁজার গাছ কি না সেটি তারা নিশ্চিত নন। রাসায়নিক পরীক্ষার পর এটি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
.png)
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. ছিদ্দীকুর রহমান জানান, এ গাছগুলো কীভাবে হলো তা তিনি জানেন না। এগুলো গাঁজার গাছ কি না তাও তিনি বলতে পারেন না। কারণ তিনি জীবনেও গাঁজার গাছ দেখেননি।
তিনি আরো জানান, চার বছর আগে চাকরিতে যোগ দেন তিনি। আগেও এসব গাছ দেখে পরিষ্কার করিয়েছেন। এরপর আবার হয়েছে। তবে এবার রোজার কারণে লোক পাননি তাই পরিষ্কার করাতে দেরি হয়ে গেছে।