রোববার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের পদ্মার তীরে রায়টা পাথরঘাটের কাছে পুরাতনপাড়া পানচাষি সিরাজের পানবরজে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
পরে একই গ্রামের নতুনপাড়া গ্রামের মিলনের পানবরজে হঠাৎ করে আগুনের লেলিহান ছড়িয়ে পড়ে। মাধপপুর, আড়কান্দি,কাজি পাড়া, মালি পাড়া, গোসাই পাড়াসহ মোট সাতটি গ্রামের পানবরজে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পানবরজগুলো খুবই কাছাকাছি হওয়ায় আগুনের লেলিহান শিখায় ছড়ি গিয়ে পুড়তে থাকে।
.png)
জানা গেছে, আগুনের তীব্রতা এতোই বেশি ছিল যে, এক কিলোমিটার দূরেও বাতাসে ছাই উড়ে গিয়ে আগুন ধরতে থাকে। এমন খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ভেড়ামারা, মিরপুর, দৌলতপুর ও পরে পার্শ্ববর্তী উপজেলা ঈশ্বরদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানবরজের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় ৬ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত পানচাষি ওহায়েদ মেম্বর, সাফিকুল ও আরজ আলী জানান, পানবরজে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই বাতাসে এই আগুনে আশেপাশের অন্যান্য পানবরজে ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে- ১০০ বিঘা জমির প্রায় দেড় কোটি পিলি পানের বরজ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শরীফুল ইসলাম জানান, সংবাদ শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে ৪টি ইউনিট কাজ করে। প্রায় ৬ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পানের বরজে কেউ শত্রুতা করে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে। বিশাল এলাকাজুড়ে পানবরজের অগ্নিকাণ্ডে পানচাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ভেড়ামারা থানার ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।