বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকালে মারুফের বাড়ির ঘরসংলগ্ন এক গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত মারুফ হাওলাদার মৌডুবি ইউনিয়নের বাইলাবুনিয়া গ্রামের বাহাদুর হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় জেলে ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন।
.png)
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে মারুফের বাড়ির সংলগ্ন একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানান, একই ইউনিয়নের ভূঁইয়াকান্দা গ্রামের ১৪ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে মারুফের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় দুই মাস আগে বিষয়টি জানতে পারে তাদের পরিবার।
মারুফের এক স্বজন জানান, এ ঘটনার দুই-তিন মাস আগে ওই মেয়েকে নিয়ে মারুফ তাদের ঘরে এসে ওঠে। পরে দুই পরিবার ও স্থানীয় লোকজন তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে মেয়েকে তার নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। তখন বলা হয়- প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের বিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু বুধবার রাতে মারুফের প্রেমিকার অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। এ খবরের পর থেকে মারুফ নিখোঁজ হয়।
পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পায়নি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমিকার বিয়ের খবর শুনে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে মেয়ের পরিবারের দাবি, মারুফের সঙ্গে তাদের মেয়ের কোনো সম্পর্কই ছিল না।
ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ঘটনা সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি, ওই তরুণীর সঙ্গে মৃতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমিকার নাকি বুধবার বিয়ে হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আবেগ থেকেই এ কাজ (আত্মহত্যা) করেছেন তিনি।