গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার গুলিয়া কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে রিপন হোসেন (২৮) ও মো. আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুল করিম (৩২)।
এর আগে, গত রোববার রাতে রাণীনগর উপজেলার উপর তালিমপুর গ্রাম থেকে ওই গ্রামের আজাদুল ইসলামকে ইসলামি জলসায় ডেকে নেন। পরে বাড়িতে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে মুখে টেপ ও চাকুর মুখে জিম্মি করে ওই দুই যুবক তাকে অপহরণ করে নন্দীগ্রামের গুলিয়া কৃষ্ণপুর গ্রামে নিয়ে যান। এরপর রিপনের বাড়িতে আটকে রেখে আজাদুলকে নির্যাতনের পর মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
.png)
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আজাদুল ইসলাম একজন প্রবাসী ছিলেন। গত তিন বছর আগে তিনি বাড়িতে চলে আসেন। রোববার রাতে আজাদুলের গ্রামের তালিমপুরে ইসলামি জলসা হচ্ছিল। রাত ৯টার দিকে পার্শ্ববর্তী গ্রাম গুলিয়া কৃষ্ণপুরের রিপন ও করিম তাকে মোবাইল করে ইসলামি জলসায় ডেকে নেন। এরপর রাত ১০টার দিকে জলসা থেকে বাড়িতে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে আজাদুলকে তারা দুইজন মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নেয়। পথে মোটরসাইকেলেই আজাদুলের মুখে টেপ ও চাকুর মুখে জিম্মি করে তাকে অপরহরণ করে রিপনের বাড়িতে নিয়ে যান।
এরপর ওই বাড়িতে আজাদুলকে আটকে রেখে তারা দুইজন রাতে নির্যাতন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে ওইদিন রাতেই স্থানীয় লোকজন ও নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের সহযোগিতায় আজাদুলকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণকারী রিপন ও করিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অপহরণের শিকার আজাদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহায়তায় আমি উদ্ধার হয়ে রাণীনগর থানায় মামলা করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠিন শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
রাণীনগর থানার ওসি আবু ওবায়েদ বলেন, এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে আজাদুল থানায় মামলা করেছেন। গ্রেফতার দুইজনকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।