নিহত রেজাউল উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের বড়খানপুর ঢাকাপাড়া গ্রামের আয়তাল হকের ছেলে। নিহতের দেড় বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজবাড়িতে মারপিটের ঘটনা ঘটে। বিকেলে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানে সোমবার দিনগত রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
.png)
নিহতের স্ত্রী সুমি ও রেজাউলের চাচা আয়নাল হক জানান, সোমবার সকাল ৭টার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হলে খোলা জায়গা থেকে লাকড়ি (জ্বালানির জন্য গাছের ডালপালা) ভেজা থেকে রক্ষায় ঘরে তোলা নিয়ে নিহত রেজাউলের স্ত্রী সুমি খাতুন ও শ্বাশুড়ি সালেহা বেগমের মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় নিহত রেজাউল এবং তার আপন ছোট ভাই ইসরাফিল ওরফে মনির মাঝে হাতাহাতি শুরু হয়।
একপর্যায়ে ছোট ভাই ইসরাফিল ওরফে মনি, মা সালেহা বেগম ও বাবা আয়তাল হক একত্রে রেজাউলকে লাঠি দিয়ে মারপিট করেন। এতে রেজাউল অসুস্থ হয়ে পড়লে বড়খানপুর বাজারের গ্রাম চিকিৎসক আব্দুস সালামকে ডেকে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে রেজাউলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিকেলে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সংবাদ পেয়ে চৌগাছা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রেজাউলের বাবা আয়তাল হক এবং কোটচাঁদপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রেজাউলের মা সালেহা বেগমকে আটক করে। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
চৌগাছা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত নিহতের ছোট ভাই ইসরাফিল, বাবা আয়তাল হক ও মা সালেহা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।