ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড

শোকে স্তম্ভিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি গ্রাম, প্রস্তুত ৫ কবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:২৩, ১ মার্চ ২০২৪
শোকে স্তম্ভিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি গ্রাম, প্রস্তুত ৫ কবর
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার এক পরিবারেরই পাঁচজন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাশাপাশি শায়িত হবেন সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউছার ও তার পরিবারের আরো চার সদস্য। এজন্য বাড়িতে এনে রাখা হয়েছে খাটিয়া। পাশেই খোঁড়া হচ্ছে কবর। এখন অপেক্ষা লাশের।  

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউছারের পরিবারের ৫ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে রাজধানী ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহগুলো নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন স্বজনরা।

Advertisement

নিহতরা হলেন, জেলার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউসার (৫০), সৈয়দ কাউসার, তার স্ত্রী স্বপ্না (৩৫), মেয়ে কাশফিয়া (১৭), নূর (১৩) ও ছেলে আব্দুল্লাহ (৭)। তারা রাজধানীর মধুবাগ এলাকায় বসবাস করতেন।

নিহত কাউসারের চাচাতো ভাই সৈয়দ আবুল ফারাহ তুহিন জানান, মাত্র দেড় মাস আগে ইতালি থেকে দেশে আসেন সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউসার। বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে যান তিনি। সেখানে অগ্নিদগ্ধ হয়ে সৈয়দ কাউসার, তার স্ত্রী স্বপ্না, মেয়ে কাশফিয়া, মেয়ে নূর ও ছেলে আব্দুল্লাহ নিহত হন। মর্মান্তিক এই মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ছবিতে সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউছার ও তার পরিবারের সদস্যরাতিনি জানান, বাদ আসর জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। গোরস্থানে একই সারিতে ৫ জনের জন্য কবর খোঁড়া হচ্ছে। বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে পাঁচটি খাটিয়া।

কবর খুঁড়তে থাকা সাত্তার নামে এক ব্যক্তি বলেন, একসঙ্গে খেতে বসছিলেন তারা। একসঙ্গেই মারা গেলেন। এমন মৃত্যু কখনো দেখিনি।

নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চৌধুরী বাদল জানান, গতকাল রাতে তারা অগ্নিকাণ্ড হওয়া ভবনটিতে অবস্থিত একটি রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলেন। সেখানেই আগুনে পুড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। দাফনের জন্য নিহতদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!