শুক্রবার সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে দেখা যায়, পর্যটকরা নিজেদের মতো করে সৈকতে আনন্দ-উল্লাসে মেতেছেন। অনেকে নোনা পানিতে মেতেছেন গোসলে। আবার কেউ কেউ ছবি তোলায় ব্যস্ত।
কুয়াকাটা পৌরসভার পাঞ্জুপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল সুকানি বলেন, কুয়াকাটা সৈকত থেকে আমার বাসা দেড় কিলোমিটার দূরে। এ বাসায় অতিরিক্ত দুইটি রুম রয়েছে। এরমধ্যে একটি রুম দুইদিনের জন্য তিন হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছি। কুয়াকাটায় অতিরিক্ত পর্যটক আসলে রুম দুইটি ভাড়া দিয়ে থাকেন বলেও জানান তিনি।
.png)
খুলনা থেকে আসা রহমত নামে এক পর্যটক বলেন, কুয়াকাটায় এসেছি পরিবার নিয়ে। হোটেলে রুম না পেয়ে পার্শ্ববর্তী একটি বসতবাড়ির কক্ষ ভাড়া নিয়েছি।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, বর্তমানে কুয়াকাটায় ২০০টি আবাসিক হোটেল-মোটেল রয়েছে। এগুলোর ধারণক্ষমতা ২৫ হাজার পর্যটক। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের সময়ে আশপাশের প্রায় পাঁচটি গ্রামের প্রায় ৩০০ বাসাবাড়িতে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান, কুয়াকাটায় টানা ছুটিতে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটেছে। তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় পুলিশ কাজ করছে।