মৃত আরিফ হোসেন ঐ গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। তার স্ত্রীর নাম রিয়া মনি।
স্থানীয়রা জানান, আরিফ পেশায় একজন ফটোগ্রাফার। তিনি কুয়াকাটায় পর্যটকদের ছবি তুলে রোজগার করতেন। কিন্তু এদিন রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল বলে শুনেছেন প্রতিবেশীরা।
.png)
রাত ১২টার দিকে এ দম্পত্তির একমাত্র শিশু কন্যার কান্নার আওয়াজ শুনে ঐ বাড়িতে যায় স্বজনরা। পরে রিয়া এবং আরিফকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। এসময় শিশু সুমাইয়া বাবার ঝুলন্ত মরদেহের দিকে তাকিয়ে কাঁদছিল।
মৃত আরিফের ভাগ্নে খাইরুল জানান, তিনি গিয়ে তার মামাকে ঘরে এবং মামানিকে বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।