শনিবার দুপুরে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি সমুদ্র সৈকত পয়েন্টে জোয়ারের পানির সঙ্গে ক্ষতবিক্ষত মা কাছিমটি ভেসে আসে।
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বোরি) জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে হিমছড়ি সৈকতে ভেসে আসা একটি মা কাছিম উদ্ধার করা হয়েছে। অলিভ রিডলি প্রজাতির এই মা কাছিমটির পেটে ৯০টি ডিম পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে কয়েক দিন আগে কচ্ছপটি মারা পড়েছে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পাশের রেজুখাল ও ইনানী সৈকতে একই প্রজাতির তিনটি কাছিম ভেসে আসে। এদের পেটেও ডিম ছিল। এ নিয়ে বোরির কাছাকাছি সৈকতে তিন দিনে ডিম পাড়তে আসা ছয়টি মৃত কাছিম উদ্ধার করা হয়েছে।
তরিকুল ইসলাম বলেন, নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে সৈকতের বালিয়াড়িতে ডিম পাড়তে এসে জেলেদের জালে আটকা পড়ে বা অন্য কোনোভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মা কাছিম মারা যাচ্ছে।
শুক্রবার ও বৃহস্পতিবার ইনানী, হিমছড়ি, সোনারপাড়া ও সুগন্ধা পয়েন্ট সৈকতে তিনটি ডলফিন, একটি পরপইস ও দুটি মা কচ্ছপ ভেসে আসে।
মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে সমুদ্র বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ।
তিনি জানান, সাগরে সামুদ্রিক প্রাণীর আবাসস্থলের কোথাও কোনো সমস্যা তৈরি বা বাধাগ্রস্ত হয়ে প্রাণী মারা পড়ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি খুব গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্টরা দেখছেন।