শুক্রবার সকালে আবু তালহার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে এলিনা ও সৌমির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
ঢাকা মেডিকেল থেকে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তাদের মরদেহ শনাক্ত হলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
.png)
মৃতরা হলেন- রাজবাড়ী শহরের নূরপুর গ্রামের সাইদুর রহমান বাবুর মেয়ে এলিনা ইয়াসমিন, কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের বড়ইচারা গ্রামের আবদুল হক মন্ডলের ছেলে আবু তালহা এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানগঞ্জ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের চিত্তরঞ্জন প্রামাণিকের মেয়ে চন্দ্রিমা চৌধুরী সৌমি।
আবু তালহার বাবা আব্দুল হক জানান, আবু তালহার মরদেহ ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করে। শুক্রবার সকালে জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করা হয় স্থানীয় কবরস্থানে।
সৌমির চাচা অতনু প্রামাণিক বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল থেকে সৌমির মরদেহ হাতে পাই আমরা। রাতে রাজবাড়ীর খানগঞ্জ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে আনা হয় মরদেহ। পরে পার্শ্ববর্তী সুন্দরপুর শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে এলিনা ইয়াসমিনের ভাই কাজী পলাশ জানান, এলিনার মরদেহ বৃহস্পতিবার রাতে রাজবাড়ীতে তার গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। বাদ এশা জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় রাজবাড়ী রেলস্টেশন থেকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠেন এলিনা, রত্না, ইকবাল বাহার ও তাদের সন্তান এবং সৌমি, তালহাসহ বেশ কিছু যাত্রী। পথে রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এতে ট্রেনের চারটি বগি পুড়ে যায়। দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান চারজন। এছাড়া নিখোঁজ ছিলেন- সৌমি, এলিনা ও আবু তালহা।