সোমবার বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ আদেশ দেন।
দণ্ডিত দুইজন হলেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের তৌকীর সন্যাম (৪০) ও আউয়াল রাঢ়ী (৩৪)। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ধর্ষণের ১০ বছর পর সোমবার এ রায় দেওয়া হয়।
.png)
দুটি দণ্ডে মোট ৪৪ বছর সাজা একযোগে কার্যকর হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। জামিনে মুক্ত থাকা অভিযুক্ত দুইজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
ট্রাইব্যুনালের সাঁটলিপিকার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন আইনের ৯ (৩) ধারায় যাবজ্জীবন (৩০ বছর) সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অপহরণের দায়ে ৭ ধারায় ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দুটি দণ্ড একযোগে কার্যকর হবে।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৪ সালের ৭ জুন বরিশাল সদর থেকে ওই মেয়ে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফলে রওনা হন। সকাল পৌনে ৮টার দিকে লঞ্চে ফরিদপুর ইউনিয়নের ডিসি রোড স্টেশনে নামেন তিনি। এ সময় অভিযুক্তরা তাকে অপহরণ করে ভাতশালা গ্রামের একটি পুকুরের পাড়ে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। ওই মেয়ে সেদিনই চারজনের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। একই বছরের ৫ আগস্ট পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।