রোববার দুপুরে সাভার উপজেলার পাথালিয়া ইউনিয়নের পানধোয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত
আবু বক্কর সিদ্দিক সাকিব একই এলাকার নিজাম উদ্দিন-রিনা আক্তার দম্পতির ছেলে। শামসুন্নাহার নামে এক নারীর মালিকানাধীন একটি টিনশেড ভাড়া নিয়ে থাকতেন তারা।
আগুনে পাশের আরও চারটি কক্ষ মালপত্রসহ পুড়ে যায়। সংবাদ পেয়ে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের সদস্যরা এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তারাই ঘরের ভেতর তিন-চতুর্থাংশ পুড়ে যাওয়া সাকিবের লাশ উদ্ধার করেন।
.png)
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন সাকিবকে ঘরে তালা দিয়ে চাবি প্রতিবেশী কারো কাছে রেখে কাজে যান নিজাম-রিনা দম্পতি। তবে রোববার রিনার বাবা বাসায় ছিলেন। বাইরে থেকে শিশুটিকে তালাবদ্ধ করে গোসলে যান তিনি। কিছুক্ষণ পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন ধরে ঘরটিতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন আশপাশের কক্ষেও ধরে যায়। খবর পেয়ে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘরের ভেতর থেকে তিন-চতুর্থাংশ পুড়ে যাওয়া শিশু সাকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবু সায়েম মাসুম জানান, নিজাম-রিনা দম্পতির এক প্রতিবেশীর কাছে ঐ ঘরের বিকল্প চাবি ছিল। তারা আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘর খুলে শিশুটিকে বের করার চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতার কারণে শিশুটিকে বের করতে পারেননি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে আগুনে পুড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
আশুলিয়া থানার এসআই নূর আলম মিয়া জানান, ঐ শিশুর লাশ ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।