রোববার বিকেলে নগরীর বটতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত রায়হান মোল্লা নগরীর ১৫নং ওয়ার্ডের বটতলা এলাকার মিন্টু মোল্লার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, বিকেলে বটতলা বাজারের মাংস বিক্রির দোকানের পেছনে কাটার রামদা দিয়ে একটি কুকুর জবাইয়ের চেষ্টা চালান রায়হান। একপর্যায়ে কুকুরটি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় কুকুরটির গলা থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে বটতলার অলিগলি পার হয়ে হালিমা খাতুন স্কুল সংলগ্ন এলাকার গলিতে গিয়ে পড়ে যায় কুকুরটি। খবর পেয়ে অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ারের সদস্যরা গিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চালান। তবে এর আগেই কুকুরটি মারা যায়।
.png)
এ বিষয়ে স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, চামড়া ছাড়ানোর পর তা কুকুর না ছাগল কেউ বলতে পারবে না। এজন্য তাদের ধারণা- কুকুরটি জবাই করে ছাগলের মাংস হিসেবে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল ঐ যুবকের।
অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অব বরিশালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দা সাকিবুন নাহার তুবা জানান, ঐ বাজারের মাংস বিক্রির দোকানের কর্মচারী রায়হান মোল্লা একটি কুকুর জবাই করেন। কুকুরটি ছুটে গিয়ে বটতলা এলাকার হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিপরীত গলিতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তবে চিকিৎসা দিয়েও বাঁচানো যায়নি।
তবে বাজার কমিটি জানিয়েছে, কোনো দোকানের স্থায়ী কর্মচারী নন রায়হান। একেক সময় একেক দোকানে কাজ করেন তিনি।
এ বিষয়ে বটতলা বাজারের মাংস বিক্রেতা সাইদ জানান, ঐ যুবক বাজারের কোনো দোকানের কর্মচারী নন। মানসিক ভারসাম্যহীন রায়হান বিভিন্ন সময় পশু-পাখি জবাই করেন। বিকেলে বাজারে এসে একটি কুকুরটি জবাই করেন। তবে ঠিকমতো জবাই না হওয়ায় কুকুরটি পালিয়ে যায়। রায়হান কুকুরের মাংস কোথায় দেয় কিনা সে বিষয়ে তার জানা নেই বলেও জানান তিনি।
আলেকান্দা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সাবু বিন ইসলাম জানান, ঐ যুবককে আটক করতে বাসায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তাকে আটক করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি এটিএম আরিচুল হক জানান, এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।