বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এ পিঠা উৎসব শুরু হয়েছে গত বুধবার। এ উৎসব চলবে আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত।
মেলায় বাঙালি ঐতিহ্যের বাহারি রকমের পিঠা মধ্যে জামাই, মেরা, পাকন, নুরের ঝাল, পায়া, পাটিসাপটা, নকশি, কাজু বরফি, জালিপিঠাসহ বিভিন্ন পিঠা রয়েছে। মানুষ বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে এসব পিঠার স্বাদ নিচ্ছেন।
.png)
পিঠা উৎসবে ৯টি স্টল রয়েছে। এসব স্টলে পাহাড়ি নামসহ অর্ধশতাধিক পিঠা রয়েছে। পিঠার স্টলে ঘুরে বেড়াচ্ছে শিশুরাও। নতুন নতুন নামের পিঠা দেখে উৎসাহিত হচ্ছে তারা। কেউ আবার পিঠা খেয়ে স্বাদ নিচ্ছেন। নানা নামের ও স্বাদের বাহারি পিঠা নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেছেন স্টল মালিকরা। পিঠা উৎসবে সন্ধ্যায় উৎসবস্থলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
পিঠা উৎসব দেখতে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়। তারা বলেন, শীতের বিকেলে এরকম পিঠা উৎসব আগে কখনো দেখিনি। প্রায় ১০০ রকমের বাহারি পিঠা রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ পিঠার নাম অজানা। জেলা শহরে সরকারি আয়োজনের এমন পিঠা উৎসবের আয়োজন প্রতিবছরের হওয়ার দাবি জানান তারা।
জামালপুর জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল আল মামুন বলেন, বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় একসঙ্গে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে পিঠা উৎসবের আয়োজন হচ্ছে। বাঙালির নিজস্ব পিঠার যে ঐতিহ্য রয়েছে সেই বিষয়গুলো বৃহত্তর পরিসরে উপস্থাপন করার জন্যই এ উৎসব।