সোমবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২৮ জানুয়ারি ফেনী পৌরসভার পশ্চিম ডাক্তারপাড়া রফিক ম্যানশনের তৃতীয় তলায় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের বাসার গৃহপরিচারিকা বাসা পরিষ্কার করছিলেন। তখন দরজা খোলা পেয়ে কৌশলে তানিয়া আক্তার সাদিয়া বাসায় ঢুকে নিজেকে অতিথি হিসেবে পরিচয় দেন। পরে রফিকের স্ত্রীর সঙ্গে গল্পের ছলে স্বর্ণালঙ্কারের কথা জিজ্ঞাসা করেন। একপর্যায়ে তাদের অচেতন করে আলমারি থেকে ৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
.png)
ওইদিন বিকেলে ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়ায় একটি বাড়িতে চুরি করতে গেলে এ চক্রের ৩ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা। তারা হলেন- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের গজারিয়া পাড়ার হাসান সিকদারের মেয়ে তানিয়া আক্তার সাদিয়া (৩২), পিরোজপুর জেলার নতুন বাজার গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে বাপ্পি হাসান নাহিদ (২৬) এবং ঢাকার আদাবর আলিফ হাউজিংয়ের মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৪৫)। এ সময় চক্রের নারী সদস্যের কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতারক তানিয়া আক্তার সাদিয়া ঘরে আসার পর নিজেকে আমার আমেরিকা প্রবাসী ভাতিজি বর্ষার বান্ধবী পরিচয় দেন এবং তারা একসঙ্গে আমেরিকায় থাকেন বলে জানান। তখন আমার স্ত্রী তাকে বসতে বলেন। দুপুরে খাবার খেতে বাসায় এসে আমার স্ত্রীকে কিছুটা অসুস্থ দেখি। এছাড়া বাসার জিনিসপত্র এলোমেলো, আলমারি ও গহনার বক্স খোলা অবস্থায় দেখতে পাই। পরে আশপাশের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রতারককে শনাক্ত করি।
ফেনী মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় প্রতারক চক্রের তিনজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।