জুয়েলারির মালিক বাবু মিয়া জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ি। ওই রাতের কোনো এক সময় আমার দোকানে চুরি করে পাশের এক বাড়িতে চুরি করতে যায়। এ সময় বাড়ির লোকজন টের পেলে চোর পালিয়ে যায়।
তিনি বলেন, বাড়ির লোক চোরকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে করমদি গ্রামের সাহাবুর পাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে বাদশার বাড়িতে যান। পরে ঘরের ভেতরে গিয়ে দেখি কাঁথার নিচে কোলবালিশ রয়েছে তবে বাদশা তার বিছানায় নেই।
.png)
জুয়েলারির মালিক বাবু মিয়া আরো বলেন, দোকানে চুরির ঘটনায় বাদশাকে আসামি করে গাংনী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
জানা গেছে, বাদশা পারিবারিক বিরোধের জেরে গত বছরের ২৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার শাশুড়ি করমদী গ্রামের মাঠপাড়ার শওকত আলীর স্ত্রী রঙ্গিলা খাতুনকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেন। এ সময় আহত হন বাদশার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রিনি খাতুন। ঘটনার পর পালিয়ে গেলেও ওই রাতেই করমদী গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে তিনি জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারও চুরি-ডাকাতিতে নামেন।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ এরমধ্যে ঘটনাস্থলে গেছে। এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।