এর আগে, তিন বখাটে শুভ ইসলাম রিফাত, মুরাদ হোসেন ও হাছান সাগরকে উপজেলার সোনাপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে মাদরাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও করার অভিযোগ এনে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত ও তাদের পরিবার সদস্যসহ ছয়জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।
রায়পুর থানার ওসি ইয়াছিন ফারুক মজুমদার জানান, অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত ও তাস খেলে। গত বছরের ২৬ অক্টোবর তারা ঐ ছাত্রীকে মাদরাসা থেকে যাওয়ার পথে কথা আছে বলে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। পরে সেখানে কোমলপানীয়ের সঙ্গে নেশাগ্রস্ত দ্রব্য মিশিয়ে তাকে পান করায়। এ সময় শুভ ইসলাম রিফাত ঐ ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করে ও মুরাদ হোসেন সেই ঘটনা ভিডিও ধারণ করে রাখে। ঘরের বাইরে পাহাড়ায় থাকে হাছান সাগর।
.png)
তিনি আরো জানান, এরপরে তারা ভিডিওগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় ও পরিবারের সদস্যদেরকে ম্যাসেজ আকারে পাঠায়। ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করলে তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতর মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।