পুলিশ জানায়, নড়াইল সদরের ভওয়াখালী গ্রামের তৈয়ব আলী নামের একজন অনলাইনে একটি ক্যামেরা কিনতে ‘ডিএসএলআর ক্যামেরা বাজার স্টোর’-এ ৫ হাজার টাকা এবং পরবর্তী সময়ে আরো ২০ হাজার টাকা দিয়ে প্রতারিত হন। এ ঘটনায় মামলা হলে গত ১০ জানুয়ারি বিকেলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কালিয়া উপজেলার যাদবপুর গ্রাম থেকে অবৈধ মোবাইল সিম বিক্রি অবস্থায় সবুজ শেখকে গ্রেফতার করে।
পরে সবুজের দেওয়া তথ্যমতে ওইদিন রাতেই খুলনার পশ্চিম রূপসা ঘাট এলাকা থেকে মাহফুজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১২৬টি অবৈধ মোবাইল, দুটি ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানার, দুটি বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন ট্যাব ও তিনটি মোবাইল জব্দ করা হয়।
.png)
পুলিশ আরো জানায়, মাহফুজুর রহমান আগে একটি মোবাইল অপারেটরে চাকরি করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে তিনি গ্রামের সহজ সরল মানুষদের টার্গেট করে নানাভাবে তাদের দিয়ে সিম রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নিতেন। পরে ওইসব সিম অনলাইন প্রতারকদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করতেন।
এসপি মোহা. মেহেদী হাসান বলেন, প্রায় ৩০টি অনলাইন পেজ থেকে এসব প্রতারকরা প্রতারণা করে আসছিলেন। তাদের অধিকাংশের হোতা কালিয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামে। অভিযোগ পেলে পুলিশ এসব প্রতারকদের ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করবে। গ্রাহকদের ভেরিফাইড পেজে অনলাইনে কেনাকাটার আহ্বান করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম অ্যান্ড অপস তারেক আল মেহেদী, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মো. সাব্বিরুল ইসলাম ও সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।