শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় মো. সামিউর রহমান (২৫) নামে ওই ভুয়া ডাক্তারকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আটক সামিউর রহমান নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন উপভদ্রা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ রাশেদুর রহমানের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় ওই ব্যক্তি ডাক্তার সেজে হাসপাতালের ওটিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ইমার্জেন্সিতে দায়িত্বরত হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন জিনিস চেয়ে সমস্যা সৃষ্টি করেন। এতে দায়িত্বরত কর্মীদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে সেখানে যান হাসপাতালের আনসার বাহিনীর ইনর্চাজ শহিদুল ইসলাম। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে তার আসল পরিচয় বেরিয়ে আসে। পরে পরিচালকের নির্দেশে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম শামীম আহাম্মদ জানান, ওই ছেলে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির ছাত্র ছিলেন। এক সময় এই হাসপাতালেই ট্রেনিং করেছেন। এ কারণে হাসপাতালের কোথায় কী আছে তিনি জানেন। তিনি ডাক্তারের ভুয়া কার্ড তৈরি করে হাসপাতালে এসেছিলেন। তার কাছ থেকে দুটি ভুয়া আইডি কার্ড ও একটি জ্বর পরীক্ষা করার যন্ত্র পাওয়া যায়। পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
রাজপাড়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা বদিউজ্জামান বলেন, ওই ছেলেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।