কেরানীগঞ্জের শাক্তা ইউনিয়নের ঝাউচর এলাকায় এক দোতলা বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ থেকে সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তানিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় তানিয়াকে এমন সন্দেহের পর শুরু হয় তদন্ত। পাশের বাসার সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা মেলে সন্দেহজনক একজনকে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্তের পর গ্রেফতারের করা হয় আরিফকে। আরিফ মারা যাওয়া তানিয়ার সাবেক স্বামী।
.png)
আরিফ পুলিশকে জানান, তানিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ছয় মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হয়েছিল তাদের। পরে প্রেম। তারপর বিয়ে। তানিয়া একটি মাদরাসার শিক্ষিকা ছিলেন, সেই মাদরাসার বাবুর্চি ছিলেন আরিফ।
বিয়ের পাঁচ মাস পরেই ডিভোর্স হয়ে যায় তাদের মধ্যে। কিছুদিন পরেই ফের তাদের মধ্যে যোগাযোগ হয়। পুনরায় তারা বিয়ে করতে চান। ঘটনার একদিন আগেই তারা ঝাউচরের ভাড়া বাসায় উঠেছিলেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাবুদ্দিন কবীর জানান, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তানিয়ার সঙ্গে যার ঘনিষ্ঠতা ছিল, সেই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। পরে দেখা যায়, তার মোবাইলটা বন্ধ। তখন পুলিশের সন্দেহ আরো বাড়ে। পরে বন্ধ মোবাইলের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে আশকোনা থেকে আরিফকে গ্রেফতার করা হয়।